মৌমাছি কিভাবে মধু তৈরি করে?

মৌমাছি কিভাবে মধু তৈরি করে?
মিষ্টির উপমা দিতে আমরা সাধারণত বলে থাকি মধুর মতো মিষ্টি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে মধু তৈরির কৃতিত্ব পুরোটাই হুল ফোটাতে ওস্তাদ মৌমাছি নামের ছোট্ট প্রাণীটির।

মৌমাছিরা নিজেদের খাদ্য হিসেবে ফুলের মধুগ্রন্থি থেকে সংগ্রহ করে এক প্রকার মিষ্টি তরল পদার্থ। যাকে বলা হয় নেক্টার বা মধুরস। মৌচাকের দেড় দুই কিলোমিটারের কাছাকাছি ফুল না পেলে এই রস সংগ্রহের জন্য মৌমাছি ৭ থেকে ৯ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে যেতে পারে।

কর্মী মৌমাছি ফুলের কাছে গিয়ে টিউবের মতো হুল দিয়ে রস শোষণ করে। মৌমাছির দুটি পাকস্থলীর মধ্যে একটিতে অর্থাৎ মধু পাকস্থলীতে জমা হয় এই রস, মধু পাকস্থলীর ধারণক্ষমতা প্রায় ৭০ মিলিগ্রাম। পাকস্থলী পূর্ণ হলে তা প্রায় মৌমাছিটার সমান ওজনের হয়।

জেনে অবাক হবেন, এই পাকস্থলী পূর্ণ করতে মৌমাছিকে ১০০ থেকে ১৫০০ ফুল পর্যন্ত ভ্রমণ করতে হয়। আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে এই রসে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ পানি থাকে। আর মিষ্টি অংশ পুরোটাই চিনি বা সুক্রোজ।

মৌচাকে ফেরার পথেই, পেটে এনজাইমের সহায়তায় মধু প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু হয়ে যায়, অর্থাৎ সুক্রোজ- ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজে রুপান্তরিত হতে থাকে। চাকে ফিরে পেটের রস প্রথমে ৪-৫টি কর্মী মৌমাছির মুখে দিয়ে দেয়।

তারা প্রত্যেকে আবার সেগুলো ৮-১০টি করে অল্পবয়স্ক মৌমাছির কাছে বণ্টন করে। এবার সবাই মিলে আধা ঘণ্টা ধরে সেই রস চিবুতে থাকে। যা পৃথিবীর কোনো মেশিন করতে পারে না। চিবুনো হয়ে গেলে এই তরল- হানিকম্ব বা মধুকোষের একটি করে প্রকোষ্ঠে ঢালতে থাকে।

সেখানেই চলে মধু তৈরি হওয়ার শেষ কাজটা। প্রকোষ্ঠগুলো সব ভরে গেলে, এর আর্দ্রতা ১৪ থেকে ১৮ শতাংশের মধ্যে নিয়ে আসতে হয়। আর এই কাজ করতে কর্মী মৌমাছিরা সবাই মিলে ডানা ঝাপটিয়ে বাতাস করতে থাকে রাতদিন। বজায় রাখে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, আর্দ্রতা।

এ সময় চাকের ভেতর থেকে ভোঁ ভোঁ বা গুন গুন শব্দ শোনা যায়। এভাবে মৌ-রসের পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে থাকে। তখন এনজাইমের ক্রিয়ায় সুক্রোজের পরিমাণ পাঁচ শতাংশে পৌঁছে। তারপরও একটি দল আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণের জন্য ডানা ঝাপটাতেই থাকে।

সব কিছু ঠিক থাকলে এর উপর মোমের একটি আস্তরণ দেয়া হয়। মোমের ঢাকনা না দেয়া পর্যন্ত মধুকে পরিপক্ব হিসেবে ধরা হয় না। আর পরিপক্ব মধু কখনও নষ্ট হয় না। কারণ এই আর্দ্রতায় কোনো ছত্রাক ব্যাকটেরিয়া বাঁচতে পারে না।

আর মধুর pH স্বল্প হওয়ায় তা বেশির ভাগ ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি এবং বেঁচে থাকাকে ব্যাহত করে। মধুর গ্লুকোনিক এসিড যে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড উৎপাদন করে তা ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি হতে দেয় না। তাইতো মিশরের পিরামিডে প্রায় তিন হাজার বছর আগের যে মধু পাওয়া গেছে তা ঠিক প্রথম দিনের মতোই ভালো আছে!

ফুলের রস থেকে মধু বানানোর সময় নির্ভর করে ফুলের রসে পানির পরিমাণ, মৌচাকে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার পরিমাণ, মৌচাকে কর্মী মৌমাছির সংখ্যা এবং ফুলের রসের সরবরাহের ওপর। গড়পড়তা, একটি কর্মী মৌমাছি তার সারা জীবনে এক চা চামচের ১২ ভাগের ১ ভাগ মধু উৎপাদন করে।

সরিষার তেলের রান্নাই স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী

#

সরিষার তেল সাধারণত আমরা বিভিন্ন ধরনের ভর্তা তৈরিতে ও সর্দি-কাশি ভালো করতে গায়ে মেখে থাকি। কিন্তু একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়ে গেছে যে শরীর এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য সরিষার তেলের কোনো বিকল্প হয় না।

প্রতিদিন সরিষার তেলে রান্না করা খাবার খেলে যে উপকার পাওয়াঃ

১. সরিষার তেলে উপস্থিত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে মনোযোগ বৃদ্ধি এবং সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে।

২. ঠাণ্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচায় আজও আমাদের গুরুজনরা ছোট বাচ্চাদের সরিষার তেল মাখিয়ে থাকেন। কেন এমনটা করে জানেন? কারণ ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে একাধিক রোগের হাত থেকে বাঁচাতে এই তেলটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৩. গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষার তেলে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
সেই সঙ্গে শরীরের প্রতিটি কোণায় যাতে ঠিকমতো রক্ত পৌঁছে যেতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখে।

৪. বিশ্ব সংস্থার প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে সরিষার তেল ওমেগা ত্রি এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি এসিডে সমৃদ্ধ। যা জয়েন্ট পেইন এবং ডিপ্রেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সরিষার তেলে থাকা ওমেগা থ্রি পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৫. এই তেল রান্নায় ব্যবহারে করলে শতকরা ৫০ ভাগ টিউমারের আশঙ্কা কমে যায়।

৬. সরিষার তেলে থাকা অ্যালিল আইসোথিয়োকানেট উপাদান মূত্রাশয়ে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ৩৪ ভাগ কমায়।

৭. সরিষার তেলে থাকা অ্যান্টিবমাইক্রোবিয়াল উপাদান হজমশক্তি উন্নত করে ও দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

৮. পেটে ব্যথা এবং মাথা যন্ত্রণা নিমেষে কমায় সরিষার তেলে উপস্থিত অ্যান্টি-ইমফ্লেমেটারি উপাদান যেকোনো ধরনের প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষত মাথা যন্ত্রণা এবং তলপেটের অস্বস্তি কমাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটি দারুণ কাজে আসে।

৯. সরিষার তেলে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কম থাকায় ওজন কমায়।

১০. সরিষার তেল ত্বকের জন্য সেরা বিবেচিত হয়। কারণ, এটি ত্বকের র‌্যাশ কমায়,পোকামাকড়কে ত্বক থেকে দূরে রাখে, ত্বক চকচকে এবং আরও উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর করে তোলে।

১১. চুলের জন্যও সরিষার তেল খুবই উপকারী। চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুলের স্বাস্থ্য ফেরায়।

তাই সরিষার তেল সম্পর্কে ভুল ধারণা ত্যাগ করে আজই অর্ডার করুন কাঠের ঘানিতে ভাঙ্গা ১০০% খাটিঁ সরিষার তেল।

#কালোজিরা_তেলের_জাদুকরী_গুনাগুন….

#কালোজিরা_তেলের_জাদুকরী_গুনাগুন :
কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে। আসুন আমরা আজ আশ্চর্য বীজ কালোজিরার উপকারিতা গুলো জেনে নেই।
√স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি
√মাথা ব্যাথা নিরাময়ে
√সর্দি সারাতে
√বাতের ব্যাথা দূরীকরণে
√বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে
√হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে
√ব্লাড প্রেসারনিয়ন্ত্রনে রাখতে
√অর্শ রোগ নিরাময়ে
√শ্বাস কষ্ট বা হাঁপানি রোগ সারাতে
√ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণে
√অনিয়মিত মাসিক রোগের ক্ষেত্রে
√দুগ্ধ দান কারিনীমা’ দের দুধ বৃদ্ধির জন্য
√ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে
√মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
√যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে।
√শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
√গ্যাষ্ট্রীক বা আমাশয় নিরাময়ে
√জন্ডিস বা লিভারের বিভিন্ন সমস্যার দূরীকরণে
√রিউমেটিক এবং পিঠেব্যাথা দূর করার জন্য
√শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে কালোজিরার অবদান অনস্বীকার্য ৷

APPLE CIDER ( WITH MOTHER )

APPLE CIDER ( WITH MOTHER ) ভিনেগারের স্বাস্থ্য উপকারিতা
একটি প্রাকৃতিক রেচক এটি হজমের উন্নতি করতে পারে
Blood রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়; Insulin ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত
তৃপ্তি বাড়ায় মানুষকে ওজন কমাতে সাহায্য করে;
পেটের মেদ কমায Cholesterol কোলেস্টেরল কমায়;
Blood রক্তচাপ কমায় এবং হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করে

APPLE CIDER ( WITH MOTHER ) ত্বক ও চুলের জন্য
ব্রণের প্রকোপ কমায় এবং চিকিৎসা করে; রোদ পোড়া আচরণ এবং প্রশমিত
বার্ধক্য বিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে; চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে;
চুলের জটকে লড়াই করে; চুল ফ্রিজ হ্রাস;
The চুলের কিউটিকলগুলোকে সীলমোহর করে
চুলকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে খুশকির চিকিৎসা করে।

খাঁটি নারকেলের নির্জাস

খাঁটি নারকেলের নির্জাস হতে তৈরি এই নারকেল তেলে আছে পরিপূর্ণ লরিক এসিড যা চুল ও ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই লরিক এসিড বাজারের কোন নারিকেল তেলে থাকে না বিধায় সেটা সাদা দেখায়। লরিক এসিড তেল থেকে আলাদা করে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন দেশি লোশন ও ক্রিমে। অথচ এটিই নারকেল তেলের প্রাণ। ব্যবহারঃ চুলের যত্নে …উপাদানঃ খাঁটি নারকেলের নির্জাস হতে তৈরি এই নারকেল তেলে আছে পরিপূর্ণ লরিক এসিড যা চুল ও ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই লরিক এসিড বাজারের কোন নারিকেল তেলে থাকে না বিধায় সেটা সাদা দেখায়। লরিক এসিড তেল থেকে আলাদা করে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন দেশি লোশন ও ক্রিমে। অথচ এটিই নারকেল তেলের প্রাণ।ব্যবহারঃ • চুলের যত্নে সপ্তাহে ৩ বার।• ত্বকের যত্নে রাতে ঘুমোবার আগে।• চোখের চারপাশের কালো দাগ দূর করতে।• ত্বকের বলিরেখা থেকে মুক্তি পেতে।It’s Ready, It’s Fresh ,It’s Pureঅর্ডার করতে ক্লিক করুন।

May be an image of text that says "Bhuiyan's Shop COD Cash On Delivery Ceylon Naturals Healtry food Healthier te ORGANIC EXTRA VIRGIN COCONUT C OIL SUPERFOOD Net t:500ml/16.91FLot otilia Extravergin Coconutoil Call us: 09639556655"

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শীত বাড়ছে আর তাই বাড়ছে খেজুরের রস

আসসালামু আলাইকুম ……..শীত বাড়ছে আর তাই বাড়ছে খেজুরের রস। শুধু তাই নয় তাল মিলিয়ে বাড়ছে খেজুরের গুড়ের চাহিদা। নিজেকে সুস্থ্য রাখতে কে বা না চায় বলুন? তাই আমাদের ক্ষুদ্র চেষ্টা হাজারো ভেজালের ভীরে দারুণ পথ্য ১০০% খাঁটি খেজুরের গুড় আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। কোষ্ঠকাঠিন্যের যমগুড় হজমশক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে এর ভিতরে থাকা শর্করা কোষ্ঠও সাফ করে। আপনি যদি দীর্ঘ দিন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তবে রোজ এক চামচ গুড় আপনাকে স্বস্তি দিবে। গুড় সর্দি-কাশিও তাড়ায়। সর্দি হলে একটু গুড় খেয়ে দেখুন। স্বস্তি পাবেন। রক্ত পরিষ্কার রাখেগুড় যেহেতু লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয়, সেই জন্য রক্তও সাফ থাকে। রক্তসল্পতা রোধ করেগুড় হিমোগ্লেবিনের সংখ্যা বাড়ায়! ফলে, রক্তাল্পতা রোধে এর বিকল্প নেই বললেই চলে! মিনারেল ম্যাজিকগুড় শরীরের মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। ১০ গ্রাম গুড় প্রায় ১৬ মিলিগ্রাম মিনারেলের জোগান দেয়। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রকগুড়ে সোডিয়াম আর পটাসিয়াম থাকে, যা ব্লাড প্রেসারের ভারসাম্য বজায় রাখে! শ্বাসকষ্ট কমায়অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিসের মতো অসুখে রোজ গুড় খেলে উপকার পাওয়া যায়। মেদ ঝরায় গুড়গুড় শরীর থেকে টক্সিন বের করার পাশাপাশি মেদ গলাতেও সাহায্য করে। ক্লান্তি নিরোধকগুড় রক্ত পরিষ্কার করে, শ্বাসকষ্ট কমিয়ে,

It’s Ready, It’s Fresh ,It’s Pure

May be an image of food and text that says "Bhuiyan's Shop COD Cash On Delivery Pure Date Molasses Call us: 09639556655"